শৈশবেই সম্ভ্রম হারিয়েছেন যেসব হলিউড তারকারা

বিবিধ বিনোদন 13 Sep 2018 at 8:19pm 747
Googleplus Pint
শৈশবেই সম্ভ্রম হারিয়েছেন যেসব হলিউড তারকারা

বেশ কয়েকবছর ধরে মুখ খুলছেন যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের শিকার তারকারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘মি টু’ হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে সারাবিশ্বের তারকারা জানিয়েছেন যৌন হয়রানির মতো ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা। যেমনটি জানিয়েছেন হলিউডের এই তারকারা-

ম্যাডোনা

ছোটবেলা থেকেই গানের পাশাপাশি টুকিটাকি মডেলিং করতেন এই পপ তারকা। বয়স তখনো ১৫ পেরোয়নি। থাকতেন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে। সেখান থেকে নিউ ইয়র্কের সাউথ ব্রঙ্কস এলাকায় একটি বিজ্ঞাপনের ফোটোশ্যুট করতে যান। তখন ফটোগ্রাফারের আপত্তিকর প্রস্তাবে সাড়া না দিলে অস্ত্রের মুখে তাঁকে জোরপূর্বক নিপীড়ন করা হয়। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি চেপে যান ম্যাডোনা। ওয়াশিংটনে নারী বিষয়ক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা প্রকাশ্যে আনেন।

পামেলা অ্যান্ডারসন

বাবা-মায়ের বাধ্য সন্তান হিসেবেই বেড়ে উঠেছেন ‘বেওয়াচ’ খ্যাত তারকা পামেলা অ্যান্ডারসন। বাড়ি এবং স্কুল ব্যতিত তেমন কোথাও যেতেন না। ক্রিসমাসের সময় একবার তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে ক্লাব অভিজ্ঞতা নিতে গেলেই ভয়াবহ ‘গ্যাং রেপ’র শিকার হন পামেলা। সে সময় তাঁর বয়স ছিল ১২ বছর। প্রচণ্ড ঘৃণা ও অপমানে সে সময় কাউকে বিষয়টি মুখফুটে বলেননি। সম্প্রতি এক দাতব্য সংস্থার অনুষ্ঠানে বিষয়টি প্রকাশ্যে এনে নারীদের সচেতনতার ইংগিত দেন পামেলা।

লেডি গাগা

মাত্র ১৩ বছর বয়সে যৌন হয়রানির শিকার হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন হালের পপ সেনসেশন লেডি গাগা। প্রায় দু’বছর তিনি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থেকে এই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা সামলে নেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত রেডিও ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব হাওয়ার্ড স্টার্নের এক শো-তে এসব কথা জানান গাগা।

টেরি হ্যাচার

মাত্র ৫ বছর বয়সেই চাচার কাছে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন এই মার্কিন অভিনেত্রী। টেরির বাবা-মা বিষয়টি নিয়ে মোটেও সচেতন ছিলেন না। রিচার্ড হেই স্টোন নামে তাঁর ঐ চাচা ছিলেন টেরির খালার কাছ থেকে তালাকপ্রাপ্ত। পরবর্তীতে এক নারীকে যৌন হয়রানির অপরাধে রিচার্ড স্টোনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড হয়। হলিউড লাইফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন ঘটনার কথা জানান ‘ডেসপারেট অয়াইভস’ খ্যাত এই অভিনেত্রী।

কেটি প্রাইস

তখন সবে মাত্র সাত বছর বয়স ব্রিটিশ এই মডেলের। বাড়ির সামনে টিউলিপ বাগান পরিস্কার করার সময় এক মালি তাঁকে যৌন হয়রানি করে। ছোট্র কেটির ঐ স্মৃতি এখন অনেকটাই ঝাপসা হয়ে গেছে। কেটির কথায়, ‘আমাদের বাড়িটা ছিল উইল্টশিয়ারের এক নির্জন গ্রামে। আমি তখন মায়ের সঙ্গে থাকতাম। মা তখন ঘুমাচ্ছিলেন। শুধু এটুকু বুঝতে পারছিলাম লোকটা আমার শরীরে বাজেভাবে স্পর্শ করছে। চিৎকার করতেই বাড়ির পাশের ঘন জঙ্গল ধরে পালিয়ে যায় লোকটা।’

অপরাহ উইনফ্রে

সাফল্য পেতে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরোতে হয়েছে বিখ্যাত এই উপস্থাপককে। অপরাহ উইনফ্রের বয়স সবে ১৩ কি ১৪। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রে কালোদের মধ্যে প্রচুর হানাহানি ছিল। স্কুল থেকে এক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দলের সঙ্গে হনলুলু-তে গেলে, সেখানকারই এক কালো স্কুল ছাত্রের হাতে নির্যাতিত হতে হয় তাঁকে। সে সময় প্রাণনাশের ভয়ে তিনি বিষয়টি কাউকে জানাননি। মার্কিন টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ডেভিড লেটারম্যানেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানান অপরাহ।

সূত্রঃ বাংলা ইনসাইডার

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Manager
Like - Dislike Votes 0 - Rating 0 of 10

পাঠকের মন্তব্য (0)