ব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায়!

সাস্থ্যকথা/হেলথ-টিপস 21st Jul 17 at 11:16am 305
Googleplus Pint
ব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায়!

জীবনে দৌড়-ঝাপের মাঝে চোট আঘাত লাগাটা কোনও স্বাভাবিক ঘটনা নয়। কিন্তু তারপর... এক্ষেত্রে প্রায় ৭০ শতাংশই কষ্ট কমাতে পেনকিলারের উপর ভরসা করে থাকেন বেশীরভাগ মানুষ। বেশি মাত্রায় পেনকিলার খেলে একাধিক শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এমনকি কিডনির কর্মক্ষমতাও কমতে শুরু করে।

এক্ষেত্রে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিকে কাজে লাগানো যায়। এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলি পেনকিলার মতোই দ্রুত ব্যথা কমায় এবং সেই সঙ্গে শরীরের নানাভাবে উপকারেও লাগে। অর্থাৎ শরীরের কোনও ক্ষতি ছাড়াই যন্ত্রণার উপশম সম্ভব হয়।

• চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই সব কার্যকরি প্রাকৃতিক পেনকিলারগুলো সম্পর্কে. . .

১। চেরিঃ লাল লাল ছোট্ট-মিষ্টি এই ফলটিকে দেখতে যতটা সুন্দর, খেতেও ততটাই সুস্বাদু। যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমাতেও এই ফলটির কার্যকরীতাকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। কারন চেরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্থোসিয়ানিন নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের প্রদাহ এবং ব্যথা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২। আদাঃ আদায় উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ অর্থ্রাইটিস, পেটের যন্ত্রণা, বুকে ব্যথা, পিরিয়ডের যন্ত্রণা সহ যে কোনও ধরনের ব্যথা কমাতে দারুন উপকারে লাগে।

৩। আঙুরঃ যন্ত্রণা উপশমে আঙুরের কোনও বিকল্প নেই। লাল আঙুর এক্ষেত্রে বেশি কাজে আসে। কারন আঙুরে রয়েছে রেসভার্টল নামে একটি অতি কার্যকরী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টট প্রপাটিজ, যা নিমেষে যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমাতে সক্ষম। সেই সঙ্গে জয়েন্টে উপস্থিত কার্টিলেজের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে সার্বিকভাবে শরীরকে সচল রাখতেও আঙুর বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪। পিপারমেন্ট পাতাঃ দাঁত, পেশি, নার্ভ এবং মাথার যন্ত্রণা কমাতে পিপারমেন্ট পাতার দারুণ কাজে আসে। এতে উপস্থিত থেরাপেটিক প্রপাটিজ হজম ক্ষমতার উন্নতিতেও সাহায্য করে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই নানাবিধ পেটের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। স্ট্রেস কমাতে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও এই প্রকৃতিক উপদানটি দারুন কাজে আসে।

৫। লবণঃ যন্ত্রণার মতো শারীরিক কষ্ট কমাতে লবণকে কাজে লাগানো যেতেই পারে। এক্ষেত্রে ১০-১৫ চামচ লবণ, জলে মিশিয়ে সেই জল দিয়ে গোসল করলেই উপকার পাওয়া যায়। লবণ জল শরীরের ভিতর প্রবেশ করে একাধিক কোষকে উজ্জীবিত করে তালে। সেই সঙ্গে দেহের প্রতিটি কোণায় রক্ত চলাচলও খুব বেড়ে যায়। ফলে যন্ত্রণা কমতে শুরু করে।

Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 20 - Rating 5 of 10

পাঠকের মন্তব্য (0)