কিশমিশের কিছু অসাধারন স্বাস্থ্য উপকারিতা

সাস্থ্যকথা/হেলথ-টিপস 21st Jul 17 at 9:41am 268
Googleplus Pint
কিশমিশের কিছু অসাধারন স্বাস্থ্য উপকারিতা

কিশমিশ এমনিতেই খাওয়া হয় অনেক কম। সাধারণত রান্নার কাজে এটি বেশি ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবারে কিশমিশ বেশ জনপ্রিয়। তবে অনেকের ধারণা শুধু কিশমিশ খেলে দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু এই ধারণাটি মোটেও সঠিক নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিশমিশ খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরী। প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস মুক্তি দিতে পারে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা থেকে। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই কিশমিশের কিছু অসাধারন স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে।

১. কিশমিশ কলেস্টোরলের সমস্যা কমায়
কিশমিশে খারাপ কোলেস্টরল রয়েছে ০%। এছাড়া কিশমিশের স্যলুবল ফাইবার খারাপ কোলেস্টরল দূর করে কোলেস্টরলের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১ কাপ কিশমিশ থেকে প্রায় ৪ গ্রাম পরিমাণে স্যলুবল ফাইবার পাওয়া যায়।

২. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়
কিশমিশে রয়েছে বোরন যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। বোরন মনোযোগ বৃদ্ধিতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী একটি উপাদান। মাত্র ১০০ গ্রাম কিশমিশ থেকে প্রায় ২.২ মিলিগ্রাম বোরন পাওয়া সম্ভব।

৩. অ্যাসিডিটির সমস্যা সমাধান করে
কিশমিশের ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আমাদের পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড যা অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করে তা দূর করতে সহায়তা করে।

৪. উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে
কিশমিশের পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্ত থেকে দূর করে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

৫. দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা করে
অনেকে ভাবতে পারেন কিশমিশে চিনি রয়েছে যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু চিনির পাশাপাশি কিশমিশে রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড যা মুখের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা দেয় এবং ক্যাভিটি প্রতিরোধে কাজ করে।

৬. চোখের সুরক্ষা করে
প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস বার্ধক্যজনিত চোখের সমস্যা সমাধান করে। কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পলিফেলন ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন প্রতিরোধ করে চোখের সুরক্ষায় কাজ করে।

৭. রক্তস্বল্পতার সমস্যা দূর করে
আমরা সকলেই জানি দেহে আয়রনের অভাবের কারণে রক্তস্বল্পতার সমস্যা শুরু হয়। কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। ১ কাপ কিশমিশে রয়েছে প্রায় ৬ মিলিগ্রাম আয়রন যা আমাদের দেহের প্রায় ১৭% আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম।

৮. কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধে সবচাইতে বেশি কার্যকরী। মাত্র ১ টেবিল চামচ কিশমিশ আপনাকে প্রায় ১ গ্রাম পরিমাণ ফাইবার দিতে পারে। এছাড়াও কিশমিশের টারটারিক অ্যাসিড হজম সমস্যা দূর করে পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা করে। তবে, ডায়বেটিস রোগীদের কিশমিশ থেকে দূরে থাকাই ভালো।

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Manager
Like - Dislike Votes 21 - Rating 5 of 10

পাঠকের মন্তব্য (0)