হার্টের একটি সমস্যা

সাস্থ্যকথা/হেলথ-টিপস 26th Jun 17 at 11:54pm 221
Googleplus Pint
হার্টের একটি সমস্যা

হৃদযন্ত্র মানবদেহের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জরুরি অঙ্গ। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বিরামহীন ভাবে সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে কাজ করে থাকে। মানব দেহের হার্ট কখনও ঘুমায় না। হৃদযন্ত্রের চারিদিকে একটি দুই স্তরের পর্দা থাকে, এই পর্দার নাম - পেরিকার্ডিয়াম। পেরিকার্ডিয়াম হৃদযন্ত্রকে ধরে রাখার পাশাপাশি অনেক কাজ করে।

পেরিকার্ডিয়ামের কাজ

হৃদযন্ত্রকে সঠিক অবস্থানে ধরে রাখা, হৃদযন্ত্রকে সংকোচন-প্রসারণে সহায়তা করা হৃদযন্ত্রকে আঘাত, ইনফেকশন ও ফুলে যাওয়া থেকে রক্ষা করা, মহাশিরা ও মহাধমনিকে ধরে রাখা, ডায়াফ্রামকে সঠিকভাবে ধরে রাখা, শ্বাস-প্রশ্বাসে সহায়তা করা ইত্যাদি।

পেরিকার্ডিয়ামের রোগসমূহ

১. পেরিকার্ডিয়ামের প্রদাহ

২. ইফিউশন

৩. অন্যান্য রোগ

পেরিকার্ডিয়ামের রোগের কারণ

১. যক্ষা (টিবি)

২. ভাইরাস

৩. কিডনি রোগ

৪. ক্যান্সার

৫. অজানা রোগ

পেরিকার্ডাইটিস সাধারণত

ভাইরাস সংক্রমণ বা হার্ট এটাকের পর এই রোগ হয়ে থাকে। বুকে তীব্র ব্যথা হয়। দেহের অবস্থান ও প্রশ্বাসের সাথে ব্যথা পরিবর্তিত হয়। কারণ অনুসারে চিকিত্সায় সুফল পাওয়া যায়। সাধারনতঃ হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় না।

পেরিকার্ডিয়াল ইফিউশন

পেরিকার্ডিয়ামে ২টি সেরাস পর্দার মাঝে ২০ থেকে ৫০ মিলি তরল পদার্থ থাকে। এই তরল পদার্থ পেরিকার্ডিয়াম তথা হৃদযন্ত্রকে বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে থাকে। যখন কোন রোগের কারণে এই তরল পদার্থের পরিমাণ অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায় সেই অবস্থার নামই হলো “পেরিকার্ডিয়াল ইফিউশন”। এই রোগে শ্বাস কষ্ট ও বুক ব্যথার পাশাপশি পালপিটিশনও হতে পারে।

পেরিকার্ডিয়াল ইফিউশন যখন ‘টেমপনেড’ এ পরিবর্তন হয় তখন হৃদযন্ত্রের কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং জরুরিভাবে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। পেরিকার্ডিয়াল ইফিউশন এবং টেমপনেডে ইসিজি, বুকের এক্সরে, ইকো পরীক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য দরকারী পরীক্ষা করাতে হয়। হৃদরোগ চিকিৎসকের তত্বাবধানে ভর্তী থেকে যথাযথ চিকিত্সা নিতে হয়।

শেষ কথা

পেরিকার্ডিয়ামের চিকিৎসা অর্থ হৃদযন্ত্রের চিকিৎসা। পেরিকার্ডিয়ামের কাজের কোন বিরতী নাই। হৃদযন্ত্রের মতই Pericardium never sleeps. চিকিৎসা পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও ধর্মীয় বিধান মেনে চলা প্রয়োজন।

Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 23 - Rating 4 of 10

পাঠকের মন্তব্য (0)