রোজার মাসে ওজন কমানোর পানীয়

সাস্থ্যকথা/হেলথ-টিপস 2nd Jun 17 at 9:23pm 181
Googleplus Pint
রোজার মাসে ওজন কমানোর পানীয়

রোজার মাসে খাবার গ্রহণে স্বাভাবিক নিয়মে আসে বড় ধরনের পরিবর্তন। দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর ইফতারের পরবর্তী সময় শরীরের পানির চাহিদা মিটিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেছে নিতে হবে স্বাস্থ্যকর পানীয়।

খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, রোজার সময় খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়া এবং খাবারের তালিকায় চর্বি ও প্রোটিনজাত খাবারের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে অনেকের ক্ষেত্রেই ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। এই সময় পানীয় বেছে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।

তাই এমন পানীয় বেছে নিতে হবে যা পানির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী এবং ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

পানি: শরীরের জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা নতুন করে বলার কিছু নেই। ইফতারের সময় প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে। এছাড়া পানি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। উপকারিতা বাড়াতে পানিতে খানিকটা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। যা আরও বেশি চর্বি পোড়াবে।

সবজির সুপ: প্রচুর পুষ্টি উপাদানে ভরপুর সবজির সুপ সারাদিন পর শরীরের চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করবে। এছাড়া চর্বি থাকে না। তাই এটি ওজন বাড়াবে না। ইফতারে রাখা যেতে পারে মৌসুমি সবজি দিয়ে তৈরি সুপ।

গ্রিন টি: অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর গ্রিন টি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি শরীরের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। শারীরিক নানান সমস্যা দূর করতেও গ্রিন টি বেশ উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এই চা বেশ সহায়ক।

ফল ও সবজির জুস: বিভিন্ন সবজি যেমন- টমেটো, শসা, গাজর ইত্যাদির জুস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কিন্তু জুস তৈরিতে অতিরিক্ত লবণ ব্যবহার করা যাবে না।

ব্ল্যাক কফি: ক্রিম ও চিনি মিশিয়ে তৈরি কফি লোভনীয় হলেও তা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এক্ষেত্রে চিনি বিহীন ব্ল্যাক কফি পান করা যেতে পারে ইফতারের পর। কফি ক্যালোরি পোড়াতেও বেশ সহায়ক। তাই ইফতারের পর ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি জমে থাকা ক্যালরি পোড়াতে ব্ল্যাক কফি পান করা যেতে পারে।

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Manager
Like - Dislike Votes 19 - Rating 5 of 10

পাঠকের মন্তব্য (0)