ত্বক-চুলের যত্নে লবণ

রূপচর্চা/বিউটি-টিপস 12th Mar 17 at 1:53pm 263
Googleplus Pint
ত্বক-চুলের যত্নে লবণ

সামুদ্রিক লবণও ত্বক ও চুলের যত্নে ব্যবহার করা যেতে পারে। কেননা এতে রয়েছে সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং পটাসিয়ামের মতো খনিজ উপাদান । রূপ চর্চায় লবনের নানান ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা করা গেল. . .

ত্বক পরিষ্কারক
লবণ ত্বক ও লোমকূপ গভীর থেকে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। লবণে রয়েছে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণাবলী যা ত্বককে পরিষ্কার রাখে এবং ব্রণ বা র‌্যাশ কমাতে সাহায্য করে।

প্রাকৃতিক রূপচর্চার গুণনীয়ক
প্রাকৃতিক রূপচর্চার গুণনীয়ক হিসেবে কাজ করে লবণ। সামুদ্রিক লবণের সঙ্গে খানিকটা লেবুর রস বা মধু মিশিয়ে ত্বকে মালিশ করলে ধূলিকণা ও মৃতকোষ দূর করে ত্বককে পরিষ্কার ও কোমল করে তোলে। শুধু মুখের ত্বক নয় পুরো শরীরের জন্যই লবণ বেশ উপযোগী স্ক্রাব।

টোনার ও মাস্ক
পানিতে খানিকটা লবণ মিশিয়ে ত্বকে স্প্রে করলে তেল শুষে নিয়ে ত্বকে আর্দ্রতা যোগায়। এছাড়া গরমে ত্বকে আরাম পেতে লবণ স্প্রে করা যেতে পারে।

লবণ দিয়ে তৈরি মাস্ক ব্যবহারে ত্বকের পিএইচ এর ভারসাম্য বজায় থাকে। ত্বকে জমে থাকা দূষিত পদার্থ দূর করতেও সাহায্য করে। মাস্ক শুকিয়ে যাওয়ার সময় বিষাক্ত পদার্থ শুষে ত্বককে পরিষ্কার করে তোলে।

ব্যথা উপশমে
পিঠ, পা এবং শরীরের অন্যান্য অংশের পেশির ব্যথা উপশমে কুসুম গরম পানিতে বেশ খানিকটা লবণ মিশিয়ে ৩০ মিনিট শরীর ডুবিয়ে রাখা যেতে পারে।

বাথ সল্ট
গোসলের পানিতে পরিমাণ মতো লবণ মিশিয়ে নিলে তা ত্বকের গভীর থেকে পরিষ্কার করে এবং শরীরের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে।

চুলের যত্নে
খুশকি নিয়ন্ত্রণে লবন ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি লবন মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। চুল ও মাথার ত্বক ঝলমলে হবে। লবন মাথার ত্বকে জমে থাকা তেল শুষে নিয়ে ফাঙ্গাস জনিত সংক্রমণ রোধে সহায়তা করে।

নখের যত্নে
খানিকটা পানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ লবণ গুলে নখ ডুবিয়ে রাখলে নখ ফাটা ও ভেঙে যাওয়ার সমস্যা হ্রাস পায়। লবণের খনিজ উপাদান নখ মজবুত করতে সাহায্য করে। এছাড়া নখ পরিষ্কার করে সাদা করে তুলতেও সাহায্য করে।

Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 35 - Rating 5 of 10

পাঠকের মন্তব্য (0)