ইনশাআল্লাহ বলার তাৎপর্য!

ইসলামিক শিক্ষা 19th Jan 17 at 8:36am 1,000
Googleplus Pint
ইনশাআল্লাহ বলার তাৎপর্য!

কোনো একটি ভালো কাজ শুরু করার আগে আল্লাহকে স্মরণ করলে তিনি খুশি হন। আল্লাহ খুশি হলে কাজের গতি বৃদ্ধি পায়। ভবিষ্যতের বাধা-বিপত্তি কেটে যায়। মনের মধ্যে প্রশান্তি আসে। কাজে রহমত-বরকত আসে। আল্লাহকে স্মরণের মাধ্যমে বান্দার বিনয় ও আকুতি প্রকাশ পায়। কোনো কাজের শুরুতে আল্লাহর নাম নেয়া থেকে বিরত থাকলে বান্দার ঔদ্ধত্য-অহঙ্কার প্রকাশ পায়। আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন।

কোনো কাজের শুরুতে আল্লাহকে খুশি করার অনেক সহজ মাধ্যম রয়েছে। আল্লাহকে খুশি করার সহজ মাধ্যম হলো ইনশাআল্লাহ বলা। অর্থাৎ আল্লাহ চাহেন তাহলে চেষ্টা করব।

কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘(হে নবী!) কখনো কোনো কাজের ব্যাপারে এ কথা বলবেন না, (এ কাজটি) আমি আগামীকাল করব।

(হ্যাঁ) বরং (এভাবে বলুন) আল্লাহ তায়ালা যদি চান (তা হলেই আমি আগামীকাল এ কাজটা করতে পারব), যদি কখনো (কোনো কিছু) ভুলে যান তাহলে আপনার প্রভুকে স্মরণ করুন এবং বলুন, সম্ভবত আমার প্রভু এর (কাহিনীর) চাইতে নিকটতর কোনো কল্যাণ দিয়ে আমাকে পথ দেখাবেন’। (সূরা আল-কাহাফ, আয়াত : ২৩-২৪)।

কোনো কাজের শুরুতে অথবা ভবিষ্যতে শুরু হবে এজাতীয় কাজে ইনশাআল্লাহ বলা মুস্তাহাব। শুরুতে ইনশাআল্লাহ বলতে স্মরণ না থাকলে স্মরণ আসার সাথে সাথে ইনশাআল্লাহ বলতে হবে। এ আয়াতের শানেনুজুল সম্পর্কে তাফসিরে মারেফুল কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রাসূল সা:কে মক্কার কাফেররা আসহাবে কাহাফ সম্পর্কে প্রশ্ন করার পর রাসূল সা: ইনশাআল্লাহ না বলে আগামীকাল জওয়াব দেয়ার ওয়াদা করেছিলেন।

শুধু ইনশাআল্লাহ না বলার কারণে রাসূল সা:-এর কাছে পনের দিন ওহি আসা বন্ধ ছিল। ইনশাআল্লাহ বলার অন্তর্নিহিত গভীর তাৎপর্য রয়েছে। ইনশাআল্লাহ বলার মধ্যে শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে।

সুতরাং প্রতিটি কাজই আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। সে জন্য সব কাজের শুরুতে বরকত লাভের উদ্দেশ্যে ইনশাআল্লাহ বলা একান্ত জরুরি।

Googleplus Pint
Like - Dislike Votes 19 - Rating 5 of 10

পাঠকের মন্তব্য (0)